বিয়ের বাজার। বিয়ে নিয়ে ব্যবসা। কথা শোনেই হয়তো একটা হোঁচট খেয়েছেন। দাঁড়ান। শক্ত হয়ে দাঁড়ান। দরকার হলে গাছে ধরে দাঁড়ান। বিষয়টা তাহলে শোনেন -
চীনের কথা বলছি। যে দেশে একাধিক সন্তান নেয়া নিষিদ্ধ। ছেলে হোক বা মেয়ে, একটাই যথেষ্ঠ। বেশি নিলেই জেল-জরিমানাসহ নানান শাস্তি পোহাতে হয়। তাই অধিকাংশ দস্পতি হিসাব নিকাশ করে ছেলে সন্তানই নিতে চায়। যার ফলে সেই দেশের জনসংখ্যার রিপোর্ট বলে : তাদের দেশে প্রতি ১১৪ জন ছেলের বিপরীতে মাত্র ১০০ জন মেয়ে রয়েছে। এই মেয়ে সংকট সমাধানের জন্য তারা পৃথিবীর নানান দেশ থেকে নারী পাচার করে নিয়ে আসে। বিশেষ করে দরিদ্র দেশগুলো থেকে। এতে চীনাদের সুবিধাই বেশি হয়। দাসীদের মত তাদের ব্যবহার করার সুযোগ পায়। তাছাড়া চায়না মেয়েদের তুলনায় এসব নিরুপায় বিদেশী মেয়েগুলো সংসার ভালো বুঝে। তারপরও সংকট থেকেই যায়। সন্তানের সীমাবদ্ধতা। রুচি অভিরুচিতে পার্থক্য হওয়া। সর্বোপরি পাচারকৃত মেয়েদের মানসিক সমস্যা থাকা। যাদেরকে একটা সময় চীনা গোপন বাজারে বিক্রি করা হয়েছিল। আর খদ্দের কিনে এনে দয়া করে তাদের বিয়ে করেছিল। যার ফলাফল স্বাভাবিকভাবেই ভালো হয় না। এই হলো একটি সংকটের কথা।
আরেকটি সমস্যা হলো- চীন একটি শিল্পোন্নত দেশ। এখানের সবাই স্বাবলম্বী হতে চায়। তার জন্য চলে প্রতিযোগিতা। কি ছেলে, কি মেয়ে - কোন ভেদাভেদ নেই। সবাই আপন ধান্ধায় ব্যস্ত থাকে। সমাজে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতেই হবে। ফলে অন্য চিন্তা করার সময় তাদের হয় না। সংসারধর্ম তাদের কাছে পথের কাঁটা মনে হয়। তাই কোন ছেলেমেয়েই সাধারণত বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চায় না। যদিও বসে ; সমপর্যায়ের কিংবা উঁচু লেবেলের কাউকে খোঁজে। তাছাড়া বিয়ে হলেও সংসারে সময় দেওয়ার মত সুযোগ তাদের হয় না। প্রেম ভালোবাসা নামক বস্তুটি চীনে ভিন্ন জগতের বিষয় মনে হয়। এই নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলে। তাই সংসার করলেও সে রকম অন্তরঙ্গ সম্পর্ক তাদের মাঝে তৈরি হয় না। যার ফলে স্বাবলম্বী কেউ সহসা বিয়ে করতে চায় না। শুধু শুধু ঝামেলা বাড়িয়ে লাভ কি !
এসব দিক বিবেচনা করে চীনে দিনদিন গড়ে উঠছে "প্রেম বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স"। যাতে একজন ছেলে একজন মেয়েকে কিংবা একজন মেয়ে একজন ছেলেকে কিভাবে ভালোবাসতে পারে, কিভাবে প্রেম করতে হয়, প্রেমালাপে কোন কোন কথাগুলো বেশ উপযোগী ইত্যাদি ইত্যাদি শিক্ষা দেওয়া হয়। এসব কোর্সে দিন যত যায় ততো ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বাড়ে। সারাদেশে কোর্সগুলোর জনপ্রিয়তা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ঐদিকে ঘটকালি প্রথা, যার প্রচলন আমাদের দেশে এখন বিলুপ্তির পথে। চীনে তার জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে। কয়েকজন ঘটক মিলে শহরে শহরে তাদের অফিস খুলে বসে। ছেলেমেয়েদের বিবরণ, তাদের চাহিদা ইত্যাদি বিষয়গুলো জেনে বিয়ের জুটি বাঁধিয়ে দিতে তারা সর্বদা সচেষ্ট থাকে। আজকাল সারাদেশে এরকম অফিসগুলো অনেকটা বেঙের ছাতার মত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। যদি কিছুটা হলেও সমস্যার সমাধান হয়।
সব মিলিয়ে চীনে বিয়ের বাজার বেশ গরম। এখানে পাত্রপাত্রীর দরদামে হিসাব হয়। সম্পর্ক তৈরির প্রদ্ধতি জানার জন্য কোর্স করা লাগে। ঘটকালি পেশার জন্যও চীন উর্বর ভূমি।
চীন অর্থনীতির দিক দিয়ে এতো স্বাবলম্বী হয়ে কিই বা লাভ হলো? বিয়ে, সংসার, ভালোবাসা ইত্যাদি শব্দগুলো যেখানে অবহেলিত। মানুষ মানুষের মধ্যকার প্রীতি ভালোবাসার যেখানে অভাব। আত্মকেন্দ্রীক জীবন, সে তো এক অভিশপ্ত জীবন। যেখানে টাকা আছে, প্রশান্তি নেই। সব কিছুর সমাধান ঐ ইসলামেই রয়েছে। ইসলামী বিধান মত বিয়ে, সংসার, ভালোবাসা, বাচ্চা নেওয়া ইত্যাদি বিষয়গুলো মেনে চলার মধ্যেই রয়েছে এই সমস্যার সমাধান। এরকম জীবনের প্রতিটি সেক্টরে ইসলামেই সুন্দর সমাধান রয়েছে।
চীনের কথা বলছি। যে দেশে একাধিক সন্তান নেয়া নিষিদ্ধ। ছেলে হোক বা মেয়ে, একটাই যথেষ্ঠ। বেশি নিলেই জেল-জরিমানাসহ নানান শাস্তি পোহাতে হয়। তাই অধিকাংশ দস্পতি হিসাব নিকাশ করে ছেলে সন্তানই নিতে চায়। যার ফলে সেই দেশের জনসংখ্যার রিপোর্ট বলে : তাদের দেশে প্রতি ১১৪ জন ছেলের বিপরীতে মাত্র ১০০ জন মেয়ে রয়েছে। এই মেয়ে সংকট সমাধানের জন্য তারা পৃথিবীর নানান দেশ থেকে নারী পাচার করে নিয়ে আসে। বিশেষ করে দরিদ্র দেশগুলো থেকে। এতে চীনাদের সুবিধাই বেশি হয়। দাসীদের মত তাদের ব্যবহার করার সুযোগ পায়। তাছাড়া চায়না মেয়েদের তুলনায় এসব নিরুপায় বিদেশী মেয়েগুলো সংসার ভালো বুঝে। তারপরও সংকট থেকেই যায়। সন্তানের সীমাবদ্ধতা। রুচি অভিরুচিতে পার্থক্য হওয়া। সর্বোপরি পাচারকৃত মেয়েদের মানসিক সমস্যা থাকা। যাদেরকে একটা সময় চীনা গোপন বাজারে বিক্রি করা হয়েছিল। আর খদ্দের কিনে এনে দয়া করে তাদের বিয়ে করেছিল। যার ফলাফল স্বাভাবিকভাবেই ভালো হয় না। এই হলো একটি সংকটের কথা।
আরেকটি সমস্যা হলো- চীন একটি শিল্পোন্নত দেশ। এখানের সবাই স্বাবলম্বী হতে চায়। তার জন্য চলে প্রতিযোগিতা। কি ছেলে, কি মেয়ে - কোন ভেদাভেদ নেই। সবাই আপন ধান্ধায় ব্যস্ত থাকে। সমাজে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতেই হবে। ফলে অন্য চিন্তা করার সময় তাদের হয় না। সংসারধর্ম তাদের কাছে পথের কাঁটা মনে হয়। তাই কোন ছেলেমেয়েই সাধারণত বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চায় না। যদিও বসে ; সমপর্যায়ের কিংবা উঁচু লেবেলের কাউকে খোঁজে। তাছাড়া বিয়ে হলেও সংসারে সময় দেওয়ার মত সুযোগ তাদের হয় না। প্রেম ভালোবাসা নামক বস্তুটি চীনে ভিন্ন জগতের বিষয় মনে হয়। এই নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলে। তাই সংসার করলেও সে রকম অন্তরঙ্গ সম্পর্ক তাদের মাঝে তৈরি হয় না। যার ফলে স্বাবলম্বী কেউ সহসা বিয়ে করতে চায় না। শুধু শুধু ঝামেলা বাড়িয়ে লাভ কি !
এসব দিক বিবেচনা করে চীনে দিনদিন গড়ে উঠছে "প্রেম বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স"। যাতে একজন ছেলে একজন মেয়েকে কিংবা একজন মেয়ে একজন ছেলেকে কিভাবে ভালোবাসতে পারে, কিভাবে প্রেম করতে হয়, প্রেমালাপে কোন কোন কথাগুলো বেশ উপযোগী ইত্যাদি ইত্যাদি শিক্ষা দেওয়া হয়। এসব কোর্সে দিন যত যায় ততো ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বাড়ে। সারাদেশে কোর্সগুলোর জনপ্রিয়তা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ঐদিকে ঘটকালি প্রথা, যার প্রচলন আমাদের দেশে এখন বিলুপ্তির পথে। চীনে তার জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে। কয়েকজন ঘটক মিলে শহরে শহরে তাদের অফিস খুলে বসে। ছেলেমেয়েদের বিবরণ, তাদের চাহিদা ইত্যাদি বিষয়গুলো জেনে বিয়ের জুটি বাঁধিয়ে দিতে তারা সর্বদা সচেষ্ট থাকে। আজকাল সারাদেশে এরকম অফিসগুলো অনেকটা বেঙের ছাতার মত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। যদি কিছুটা হলেও সমস্যার সমাধান হয়।
সব মিলিয়ে চীনে বিয়ের বাজার বেশ গরম। এখানে পাত্রপাত্রীর দরদামে হিসাব হয়। সম্পর্ক তৈরির প্রদ্ধতি জানার জন্য কোর্স করা লাগে। ঘটকালি পেশার জন্যও চীন উর্বর ভূমি।
চীন অর্থনীতির দিক দিয়ে এতো স্বাবলম্বী হয়ে কিই বা লাভ হলো? বিয়ে, সংসার, ভালোবাসা ইত্যাদি শব্দগুলো যেখানে অবহেলিত। মানুষ মানুষের মধ্যকার প্রীতি ভালোবাসার যেখানে অভাব। আত্মকেন্দ্রীক জীবন, সে তো এক অভিশপ্ত জীবন। যেখানে টাকা আছে, প্রশান্তি নেই। সব কিছুর সমাধান ঐ ইসলামেই রয়েছে। ইসলামী বিধান মত বিয়ে, সংসার, ভালোবাসা, বাচ্চা নেওয়া ইত্যাদি বিষয়গুলো মেনে চলার মধ্যেই রয়েছে এই সমস্যার সমাধান। এরকম জীবনের প্রতিটি সেক্টরে ইসলামেই সুন্দর সমাধান রয়েছে।



No comments:
Post a Comment
Note: Only a member of this blog may post a comment.