মানুষ স্বাধীন থাকতে চায়। পৃথিবীতে মুক্ত বিচরণে সবাই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। এটা মানুষের জন্মগত চাওয়া পাওয়া । আশ্চার্যের বিষয় হলো - এই মানুষেরই একটা শ্রেণি মুক্তভাবে জীবনধারণ করতে চায় না। তারা স্বেচ্ছায় নিজের জন্য বন্দী জীবন বেছে নেয়। স্বাধীন জীবনের চেয়ে বন্দী জীবনকে তারা তাদের জন্য শ্রেয় মনে করে। কারা সেই জাতি? প্রশ্নটা তাহলে করেই ফেলুন। হুম, উত্তর শোনে আরও বেশি আশ্চার্যান্বিত হোন। সেই জাতি আর কেউ নয়। জাপানের প্রবীণ সমাজ। বৃদ্ধ বয়সে উপনীত হলে তারা আর বাইরে থাকতে চায় না। স্বাধীন জীবনের চেয়ে কারাজীবন তাদের জন্য মুক্তির শ্রেষ্ঠ উপায় হয়। এখানে মোটেও বৃদ্ধাশ্রমের কথা বলছি না। সত্যিকারের কারাজীবনের কথাই বলছি।
জাপানে দিনদিন এই সমস্যা প্রকট হচ্ছে। উন্নত দেশ বলে যার প্রতি আমরা আকর্ষণবোধ করি। হ্যাঁ, সেই জাপানের সত্য একটি চিত্র এটি। এবার একটু ভাবুন : আমরা কত সুখে আছি। আমরা তাদের মত উন্নত হতে না পারলেও নৈতিকতায় কত ভালো আছি। বৃদ্ধ বয়সে আমাদের এতো টেনশন করতে হয় না। জেলখানায় গিয়ে আশ্রয় নিতে হয় না। অবশ্য আজকাল বৃদ্ধাশ্রম নামক আরেকটা জেলখানার অস্তিত্ব প্রকাশ পেতে যাচ্ছে। এসব কেন হচ্ছে? কারণ একটাই। আমরা আমাদের সন্তানদের ইসলামী শিক্ষা পূর্ণরূপে শিক্ষা দিচ্ছি না। ইসলামটা তাদেরকে ভালো মত শিক্ষা দেই, ইসলামি রীতিনীতিতে অভ্যস্ত করে তুলি ; ইনশাআল্লাহ আমাদের ভাগ্যে জাপানের পরিণতির আবির্ভাব ঘটবে না।



No comments:
Post a Comment
Note: Only a member of this blog may post a comment.